🎉 উৎসব · ২৪ জুন ২০২৬, বুধবার
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বিশ্বকর্মা পূজা। স্বর্গের স্থপতি থেকে কারখানার দেবতা — কেন প্রতি বছর প্রায় একই তারিখে এই পূজা? ভোকাট্টার ঘুড়ি-যুদ্ধ আর অরন্ধনের রান্না পূজা সহ সম্পূর্ণ কাহিনি।
ভাদ্রের শেষ দুপুরে আকাশের দিকে তাকান — নীল ক্যানভাস জুড়ে পেটকাটি, চাঁদিয়াল, ময়ূরপঙ্খীর মেলা, আর পাড়ায় পাড়ায় চিৎকার — "ভোওওকাট্টাআআ!" ক্যালেন্ডার না দেখেই বলে দেওয়া যায়: আজ বিশ্বকর্মা পূজা, দুর্গাপূজার আর দেরি নেই। এ বছর পূজা ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার — ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩, ভাদ্র সংক্রান্তির দিনে।
কারখানার শ্রমিক থেকে ট্যাক্সিচালক, স্বর্ণশিল্পী থেকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার — যাঁরাই হাত আর যন্ত্র দিয়ে জীবিকা চালান, এ দিন তাঁদের সবার উৎসব। কে এই বিশ্বকর্মা? কেনই বা তাঁর পূজা প্রায় প্রতি বছর একই ইংরেজি তারিখে পড়ে — যেখানে বাকি সব পূজার তারিখ বদলায়? সম্পূর্ণ উত্তর রইল।
বেদে 'বিশ্বকর্মা' শব্দের অর্থ বিশ্বের নির্মাতা — ঋগ্বেদের বিশ্বকর্মা সূক্তে তিনি সর্বদ্রষ্টা সৃষ্টিশক্তি। পুরাণে তিনিই দেবতাদের প্রধান স্থপতি ও প্রকৌশলী — যা কিছু অলৌকিক নির্মাণ, সবই তাঁর হাতের কাজ। তাঁর সিভি শুনলে আজকের যে-কোনো নির্মাণসংস্থা লজ্জা পাবে — রাবণের সোনার লঙ্কা, শ্রীকৃষ্ণের সমুদ্রনগরী দ্বারকা, ইন্দ্রের অমরাবতী, দেবতাদের উড়ন্ত রথ পুষ্পক, এমনকি মহাদেবের ত্রিশূল ও ইন্দ্রের বজ্র নির্মাণেও তাঁর কৃতিত্ব — পুরাণমতে মহর্ষি দধীচির অস্থি থেকে সেই বজ্র গড়েছিলেন তিনিই। বিশ্বকর্মার পুত্র নল ছিলেন রামসেতুর প্রধান প্রকৌশলী — নির্মাণবিদ্যা যেন পারিবারিক ঐতিহ্য!
বাংলার প্রতিমায় বিশ্বকর্মা সুদর্শন তরুণ — একহাতে দাঁড়িপাল্লা বা হাতুড়ি-বাটালি, বাহন হাতি; যদিও শাস্ত্রভেদে বৃদ্ধ, দাড়িওয়ালা, চতুর্ভুজ রূপ ও হংসবাহনের বর্ণনাও মেলে। হাতির প্রতীকটি অর্থবহ — শক্তি আর ধৈর্য, নির্মাণের দুই স্তম্ভ।
বাঙালির প্রায় সব পূজা চান্দ্র তিথি মেনে হয় — তাই দুর্গাপূজা কখনো অক্টোবরের শুরুতে, কখনো শেষে। কিন্তু বিশ্বকর্মা পূজা হয় সৌর গণনায় — ভাদ্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ সংক্রান্তিতে, যেদিন সূর্য সিংহ রাশি ছেড়ে কন্যা রাশিতে প্রবেশ করে। সৌর বছরের হিসাব গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের কাছাকাছি চলে বলেই এই পূজা প্রায় প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর (কখনো ১৮) পড়ে — বাংলার একমাত্র বড় পূজা, যার ইংরেজি তারিখ কার্যত মুখস্থ রাখা যায়! আমাদের ক্যালেন্ডারের সৌর-গণনার খুঁটিনাটি জানতে পঞ্জিকার অজানা তথ্য নিবন্ধটি পড়ুন।
উনিশ-বিশ শতকে কলকাতা-হাওড়ার শিল্পায়নের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকর্মা পূজা হয়ে উঠল শ্রমজীবী মানুষের প্রধান উৎসব। হাওড়াকে বলা হতো 'প্রাচ্যের শেফিল্ড' — সেই লেদ-কারখানা, ফাউন্ড্রি, রেল ওয়ার্কশপ, জুটমিল, ছাপাখানা, বাস ডিপো, স্বর্ণপট্টি — সর্বত্র এই দিনে যন্ত্র থামে, ফুল-মালায় সাজে। মেশিনে সিঁদুরের ফোঁটা, ধূপের ধোঁয়া, খিচুড়ি ভোগ — শ্রমিক এই দিনে নিজের যন্ত্রকে প্রণাম করেন, কারণ ওই যন্ত্রই তাঁর অন্নদাতা। ট্যাক্সি-বাস-লরির বনেটে ফুলমালা আর 'জয় বাবা বিশ্বকর্মা' — রাস্তাঘাটেই টের পাওয়া যায় উৎসবের রং। আধুনিক যুগে আইটি অফিসেও কম্পিউটার-সার্ভারের সামনে প্রণামী পড়ে — দেব-প্রকৌশলীর এক্তিয়ার যুগের সঙ্গে বেড়েছে বই কমেনি!
বিশ্বকর্মা পূজার সমার্থক হয়ে গেছে ঘুড়ি ওড়ানো। কথিত আছে, এই ঐতিহ্যের শিকড় ধনী বাবুদের শৌখিন ঘুড়ি-লড়াইয়ে, যা ক্রমে ছড়িয়ে পড়ে সর্বস্তরে; ভাদ্রশেষের পরিষ্কার আকাশ আর অনুকূল হাওয়াও এর সহায়। পেটকাটি, চাঁদিয়াল, মোমবাতি, বগ্গা — ঘুড়ির নামের অভিধানই আলাদা; আর আছে মাঞ্জা — কাচগুঁড়ো আর আঠায় সুতো শান দেওয়ার প্রাচীন কারিগরি (আজ অবশ্য প্রাণঘাতী চিনা সিন্থেটিক মাঞ্জা নিষিদ্ধ)। প্রতিপক্ষের ঘুড়ি কাটা পড়লেই আকাশ কাঁপানো 'ভোকাট্টা' — শব্দটি এসেছে সম্ভবত 'ভোঁ-কাট্টা' অর্থাৎ 'গেল কাটা' ধ্বনি থেকে। সত্যজিৎ রায়ের ছবি থেকে বাংলা গান — ভাদ্রের এই ঘুড়ি-আকাশ বাঙালি সংস্কৃতির চিরন্তন ফ্রেম।
বিশ্বকর্মা পূজার দিনটিকে ঘিরে বাংলার ঘরে ঘরে চলে আরেক লোক-পার্বণ — রান্না পূজা বা অরন্ধন। ভাদ্র সংক্রান্তিতে (অঞ্চলভেদে আগে-পরে) মা মনসাকে নিবেদন করে পালিত হয় 'উনুন জুড়োনোর' দিন: সংক্রান্তির আগের দিন রাত জেগে রান্না হয় — ইলিশ ভাজা, চালতার টক, নারকেল-চিংড়ি, কচুশাক — আর পরদিন উনুন জ্বলে না; খাওয়া হয় আগের দিনের পান্তা ও ঠান্ডা ব্যঞ্জন। বর্ষাশেষে সাপের উপদ্রবের মরসুমে মনসা-আরাধনা আর হেঁশেলের বিশ্রাম — লোকাচারের মোড়কে এও এক জীবনজ্ঞান। ঘুড়ির আকাশ আর পান্তার হেঁশেল — একই দিনে শিল্প-দেবতা ও লোকদেবীর এমন সহাবস্থান কেবল বাংলাতেই সম্ভব!
বিশ্বকর্মা পূজার আয়োজন-পদ্ধতিটিও অন্য পূজার চেয়ে আলাদা — কারণ মণ্ডপ এখানে কর্মস্থল নিজেই। আগের দিন থেকে চলে যন্ত্রপাতির 'মহাস্নান' — লেদ মেশিন থেকে টোটোর হ্যান্ডেল, সেলাই মেশিন থেকে ক্যামেরা — তেল-কালি মুছে, ফুল-মালা, সিঁদুরের ফোঁটা, আমপাতার তোরণ। পূজার উপকরণে থাকে ফল-মিষ্টির সঙ্গে কারিগরির প্রতীক — হাতুড়ি, স্কেল, প্লায়ার্স দেবতার পাশে সাজিয়ে রাখা হয়; ভোগে খিচুড়ি-লাবড়া, কোথাও লুচি-বোঁদে। প্রথা অনুযায়ী এদিন যন্ত্র চালানো বন্ধ — শ্রমিকেরও ছুটি, যন্ত্রেরও; শিল্পাঞ্চলে দিনটি কার্যত বার্ষিক মিলনমেলা — কারখানা-প্রাঙ্গণে খাওয়াদাওয়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্যারম-ক্রিকেট! ছোট দোকানি থেকে অ্যাপ-ক্যাব চালক — প্রত্যেকের নিজস্ব সংস্করণ আছে: ড্যাশবোর্ডে ছোট্ট মূর্তি, রিকশার হুডে ফুল, আইটি ডেস্কে মনিটরের কোণে চন্দনের টিপ! নতুন যুগের প্রকৌশলীরা রসিকতা করে বলেন — সার্ভার ডাউন না হওয়ার প্রার্থনাই আধুনিক বিশ্বকর্মা-বন্দনা; রসিকতার আড়ালে সত্যটি প্রাচীন — নিজের কাজ ও কাজের যন্ত্রকে সম্মান করার সংস্কৃতিই এই পূজার মর্ম।
বিশ্বকর্মার আকাশ-উৎসবকে পুরোদস্তুর বুঝতে ঘুড়ি-শব্দকোষে চোখ বুলানো যাক। নকশা-ভেদে নাম — পেটকাটি (মাঝখানে ভিন্ন রঙের ছোপ), চাঁদিয়াল (চাঁদের মতো গোল মোটিফ), ময়ূরপঙ্খী, মুখপোড়া, বগ্গা, ডাকঘুড়ি; মাপে আধলি থেকে দেড়হাতি। লড়াইয়ের সরঞ্জামে লাটাই (হুইল), আর প্রাণভোমরা মাঞ্জা — সুতোয় সাবু-ভাত-ডিমের আঠা মাখিয়ে মিহি কাচগুঁড়ির প্রলেপ; ওস্তাদদের গোপন রেসিপি বংশপরম্পরায় চলত! লড়াইয়ের কৌশলেরও শাস্ত্র আছে — 'ঢিল' দিয়ে টানে কাটা, 'খ্যাঁচ' মেরে ছোঁ, বাতাসের 'উপরি' ধরা; প্রতিপক্ষের সুতো কাটলেই সমস্বরে 'ভোওকাট্টা!' — আর কাটা ঘুড়ির পিছনে ছাদে-গলিতে ছোটে 'লুটেরা' বাহিনী, লগি-ঝাঁটা হাতে! সাবধানতার কথাও আজ জরুরি — ধারালো সিন্থেটিক চিনা মাঞ্জা আইনত নিষিদ্ধ; পাখি ও পথচারীর প্রাণহানির কারণ এই সুতো বর্জন করে সাবেক সুতির মাঞ্জাই ব্যবহার্য। কলকাতার ছাদ-সংস্কৃতির এই শেষ মহোৎসবটুকু বাঁচিয়ে রাখা — হেরিটেজ রক্ষারই অঙ্গ; সত্যজিৎ রায়ের ক্যামেরা থেকে আজকের ড্রোন-শট — বিশ্বকর্মার আকাশ চিরকাল সিনেমাটিক!
বিশ্বকর্মা পূজার সামাজিক ইতিহাস আসলে বাংলার শিল্পায়নের ইতিহাস। উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে হাওড়ায় গড়ে ওঠে লোহালক্কড়ের শিল্পজগৎ — ঢালাই কারখানা, ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, রেল ইয়ার্ড; ব্রিটিশ বাণিজ্য-নথিতেই হাওড়ার ডাকনাম হয়ে যায় 'শেফিল্ড অব দ্য ইস্ট'। বার্ন কোম্পানি, জেসপ, ব্রেথওয়েট — ঐতিহাসিক কারখানাগুলির প্রাঙ্গণে বিশ্বকর্মা পূজাই ছিল শ্রমিক-জীবনের বৃহত্তম বার্ষিক উৎসব; গঙ্গার ওপারে কলকাতার ছাপাখানা-পাড়া, বড়বাজারের গদি, ট্রাম ডিপো, বন্দর — সর্বত্র সেই এক ছবি। বিশ শতকে জুটমিল-বেল্ট (রিষড়া থেকে নৈহাটি) আর রেলশহরগুলি এই মানচিত্রে যোগ হয়; খড়্গপুর-চিত্তরঞ্জন-কাঁচরাপাড়ার রেল-কলোনির পূজার জৌলুস ছিল কিংবদন্তি। শিল্পের ভাঙা-গড়ার সঙ্গে পূজার ভাগ্যও দুলেছে — বন্ধ কারখানার জং-ধরা গেটে ম্লান প্যান্ডেল বাংলার শিল্প-স্মৃতির করুণ ছবি; আবার নতুন যুগের আইটি পার্ক, স্টার্টআপ অফিসে দেব-প্রকৌশলীর নবাগমন আশারও ইঙ্গিত। এক দেবতার পূজার ওঠাপড়ায় একটি অঞ্চলের অর্থনৈতিক ইতিহাস পড়ে ফেলা যায় — বিশ্বকর্মা তাই সমাজবিজ্ঞানীরও গবেষণার বিষয়!
বিশ্বকর্মার আরাধনার গভীরতম স্তরটি বাংলার ঐতিহ্যবাহী শিল্পী-সম্প্রদায়গুলির — যাঁদের কাছে ইনি নিছক বাৎসরিক দেবতা নন, কুলগুরু ও আদিপুরুষ। সূত্রধর (কাঠশিল্পী), কর্মকার (লৌহশিল্পী), স্বর্ণকার, শঙ্খকার, কুম্ভকার, তন্তুবায় — প্রথাগত এই পেশা-গোষ্ঠীগুলির অনেকেই নিজেদের 'বিশ্বকর্মার বংশধর' জ্ঞান করেন; পুরাণে বিশ্বকর্মার পাঁচ পুত্র থেকে পাঁচ শিল্পী-গোষ্ঠীর উৎপত্তির আখ্যানও (বিশ্বব্রাহ্মণ-পরম্পরা) প্রচলিত। এঁদের পূজার আচারে পেশার ছাপ স্পষ্ট — সূত্রধরের পূজায় বাটালি-রেঁদা, কর্মকারের হাপর-নেহাই, তাঁতির মাকু-শানা দেবতার পাশে অধিষ্ঠিত; নতুন শিক্ষানবিশের 'হাতেখড়ি'ও বহু ঘরানায় বিশ্বকর্মা পূজার দিনেই — গুরু-শিষ্য পরম্পরার বার্ষিক নবায়ন। বাংলার শিল্প-ঐতিহ্যের মানচিত্রে এঁদের অবদান অমূল্য — বিষ্ণুপুরের বালুচরি-তাঁতি, বাঁকুড়ার ডোকরা-শিল্পী (যাঁদের হারানো-মোম পদ্ধতি সিন্ধু সভ্যতার সমান পুরোনো!), নবদ্বীপ-কাটোয়ার কাঁসারি, মুর্শিদাবাদের রেশমকার, কুমোরটুলির মৃৎশিল্পী — প্রত্যেকের বিশ্বকর্মা-বন্দনার নিজস্ব লোকাচার, নিজস্ব ভোগ, নিজস্ব গান। শিল্পায়ন-বিশ্বায়নের ধাক্কায় বহু ঘরানা আজ সংকটে — সস্তা মেশিন-পণ্যের ভিড়ে হাতের কাজের বাজার-সংগ্রাম; জিআই-স্বীকৃতি, হস্তশিল্প মেলা, ই-কমার্স কিছুটা অক্সিজেন দিচ্ছে। বিশ্বকর্মা পূজার দিন তাই এই সম্প্রদায়গুলির কাছে আত্মপরিচয়ের শপথ-দিবসও — হাতুড়ি-বাটালির পূজা মানে ঘোষণা: এই হাত হারবে না। ভোগের খিচুড়ির ধোঁয়ার সঙ্গে যে প্রার্থনা ওঠে, তার অনুবাদ বোধহয় এমন — হে দেব-স্থপতি, যন্ত্রের যুগেও হাতের মর্যাদা রেখো!
২০২৬ সালে বিশ্বকর্মা পূজা ১৭ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার — ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩, ভাদ্র সংক্রান্তির দিনে।
এই পূজা চান্দ্র তিথিতে নয়, সৌর গণনায় হয় — সূর্যের কন্যা রাশিতে প্রবেশের দিনে (কন্যা সংক্রান্তি)। সৌর তারিখ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সঙ্গে প্রায় মিলে চলে বলে পূজা প্রায় প্রতি বছর ১৭ বা ১৮ সেপ্টেম্বর পড়ে।
হিন্দু পুরাণে বিশ্বকর্মা দেবতাদের স্থপতি ও প্রকৌশলী — সোনার লঙ্কা, দ্বারকা, পুষ্পক রথ, ইন্দ্রের বজ্র প্রভৃতি তাঁর নির্মাণ। শিল্পী, কারিগর, শ্রমিক ও প্রযুক্তিজীবীরা তাঁকে আরাধ্য মানেন।
ভাদ্রশেষের অনুকূল আকাশে ঘুড়ি-লড়াইয়ের সাবেক শৌখিনতা ক্রমে এই পূজার অবিচ্ছেদ্য ঐতিহ্য হয়ে উঠেছে — কলকাতা-হাওড়ার আকাশে এই দিন হাজারো ঘুড়ির 'ভোকাট্টা'-যুদ্ধ চলে।
ভাদ্র সংক্রান্তিতে মনসা দেবীকে নিবেদন করে পালিত লোক-পার্বণ — আগের দিন রেঁধে রাখা খাবার (পান্তা, ইলিশ, চালতার টক) পরদিন ঠান্ডা খাওয়া হয়; সেদিন উনুন জ্বালানো বারণ, তাই নাম অরন্ধন।
প্রতি বছরের তারিখ দেখুন বিশ্বকর্মা পূজার পাতায়। পড়ুন দুর্গা পূজা ২০২৬ গাইড ও মহালয়ার কাহিনি। ভাদ্র মাসের ক্যালেন্ডার এখানে।
প্রচ্ছদ ছবি: Dip Paul, উইকিমিডিয়া কমন্স — CC BY-SA 4.0