← বাংলার ঐতিহ্য ও ইতিহাস

বঙ্গভঙ্গ ১৯০৫ — কার্জনের কাঁচি, রাখিবন্ধনের প্রতিবাদ ও স্বদেশি যুগের জন্ম

🏛️ ইতিহাস  ·  ১৮ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার

১৬ অক্টোবর ১৯০৫ — বাংলা ভাগের দিন কলকাতার রাস্তায় রবীন্দ্রনাথ বেঁধে দিলেন রাখি। কার্জনের 'ডিভাইড অ্যান্ড রুল' থেকে স্বদেশি-বয়কট আন্দোলন, অগ্নিযুগের জন্ম থেকে ১৯১১-র বঙ্গভঙ্গ রদ — সম্পূর্ণ ইতিহাস।

১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর, ভোরের কলকাতা। গঙ্গার ঘাটে স্নান সেরে হাজারো মানুষ খালি পায়ে হাঁটছেন — হাতে হলুদ সুতো। রাস্তায় রাস্তায় হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে একে অন্যের হাতে বাঁধছেন রাখি — আর গাইছেন সদ্য-লেখা এক গান: "বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল — পুণ্য হউক, পুণ্য হউক…" গানের রচয়িতা স্বয়ং পথে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। যে দিনটিকে ব্রিটিশ সরকার বেছেছিল বাংলাকে দু'টুকরো করার জন্য, বাঙালি সেটিকেই বানিয়ে ফেলল মিলনের মহোৎসব।

এই বঙ্গভঙ্গ — ইতিহাসের সেই মোড়, যেখান থেকে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম ঢুকে পড়ল নতুন যুগে। ১৬ অক্টোবরের সেই দিনটি আজও ইতিহাস-স্মরণের তারিখ। কেন ভাগ হলো বাংলা, কীভাবে জ্বলে উঠল স্বদেশি আগুন, আর ছ'বছরের মাথায় কেন পিছু হটল সাম্রাজ্য — সম্পূর্ণ কাহিনি।

এক নজরে বঙ্গভঙ্গ

কার্জনের যুক্তি, আসল অঙ্ক

কাগজে-কলমে যুক্তিটা ছিল প্রশাসনিক — অবিভক্ত বাংলা প্রেসিডেন্সি (বিহার-ওড়িশাসহ) প্রায় আট কোটি মানুষের বিশাল প্রদেশ; এক লাটের পক্ষে শাসন অসম্ভব। কিন্তু নথিপত্রই ফাঁস করে দেয় গভীরের অঙ্ক। স্বয়ং কার্জনের সহকর্মী, স্বরাষ্ট্রসচিব রিজলির কুখ্যাত মন্তব্য — "বাংলা ঐক্যবদ্ধ থাকলে একটি শক্তি; বিভক্ত বাংলা নানা দিকে টানবে" — অর্থাৎ লক্ষ্য প্রশাসন নয়, রাজনীতি। কলকাতা তখন ব্রিটিশ-বিরোধী জাতীয়তাবাদের মস্তিষ্ক; বাঙালি শিক্ষিত মধ্যবিত্ত সাম্রাজ্যের চোখে ক্রমবর্ধমান মাথাব্যথা। বাংলাকে ভাগ করো — পূর্বে মুসলমান-সংখ্যাগুরু প্রদেশ, পশ্চিমে বাঙালিরাই সংখ্যালঘু (বিহার-ওড়িশা মিলিয়ে) — জাতীয়তাবাদের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে যাবে। ইতিহাসে এর নাম ডিভাইড অ্যান্ড রুল — আর বাংলা হলো তার পরীক্ষাগার।

আগুন জ্বলল — স্বদেশি ও বয়কট

ঘোষণা মাত্র প্রতিবাদের ঢেউ উঠল, আর ১৯০৫-এর ৭ আগস্ট কলকাতার টাউন হলের ঐতিহাসিক মহাসভায় গৃহীত হলো যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত — বিলিতি পণ্য বয়কট। ম্যাঞ্চেস্টারের কাপড়, লিভারপুলের লবণ বর্জন; পাল্টা মন্ত্র — স্বদেশি: নিজের দেশের জিনিস, নিজের দেশের শিক্ষা, নিজের দেশের শিল্প। বিলিতি কাপড়ের গায়ে আগুন, ছাত্রদের পিকেটিং, মায়েদের শাঁখ বাজিয়ে স্বদেশি ব্রত — আন্দোলন পৌঁছল ঘরে ঘরে। এই আন্দোলনের সাংস্কৃতিক ফসলও অমর — রবীন্দ্রনাথের 'আমার সোনার বাংলা' (আজ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত), 'বাংলার মাটি বাংলার জল'; জাতীয়তাবাদী গানের এমন বিস্ফোরণ বাংলা আর দেখেনি। ১৬ অক্টোবর পালিত হলো রাখিবন্ধন (রবীন্দ্রনাথের পরিকল্পনায়) আর রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর ডাকে অরন্ধন — উনুন জ্বলল না বাংলার ঘরে; শোকের দিনে ঐক্যের শপথ।

স্বদেশির হাত ধরে এল বিকল্প গড়ার জোয়ার — জাতীয় শিক্ষা পরিষদ ও বেঙ্গল ন্যাশনাল কলেজ (১৯০৬; অধ্যক্ষ ঋষি অরবিন্দ — আজকের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বসূরি এই ধারা), আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের বেঙ্গল কেমিক্যালের মতো স্বদেশি শিল্পোদ্যোগের প্রসার, ব্যাংক-বিমা-জাহাজ কোম্পানি। বয়কট শুধু 'না' ছিল না — ছিল নিজেদের 'হ্যাঁ' গড়ে তোলার আন্দোলন।

চরমপন্থার জন্ম — অগ্নিযুগ

নরমপন্থী আবেদন-নিবেদনে কাজ হচ্ছে না দেখে তরুণ প্রজন্ম বেছে নিল অন্য পথ। অনুশীলন সমিতি, যুগান্তর — গুপ্ত সমিতির জালে ছেয়ে গেল বাংলা; ব্যায়ামাগারে লাঠি-তলোয়ারের সঙ্গে চলল বোমার রসায়ন। ১৯০৮-এ মুজফ্‌ফরপুরে আঠারো বছরের ক্ষুদিরামের ফাঁসি গোটা জাতিকে কাঁদাল আর জাগাল — অগ্নিযুগের মশাল জ্বলে উঠল, যা নিভবে সেই ১৯৪৭-এর ১৫ আগস্টে। অন্যদিকে বিভাজনের রাজনীতিও ফলল — ১৯০৬-এ ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হলো মুসলিম লীগ; বাংলার মাটিতে পোঁতা সেই বিভাজন-বীজের মূল্য উপমহাদেশ দেবে চার দশক পরে।

১৯১১ — সাম্রাজ্য পিছু হটল, কিন্তু…

ছয় বছরের অবিরাম আন্দোলনে ব্রিটিশরাজ বুঝল — বঙ্গভঙ্গ রাখা যাবে না। ১৯১১-র ১২ ডিসেম্বর দিল্লির রাজকীয় দরবারে সম্রাট পঞ্চম জর্জ ঘোষণা করলেন বঙ্গভঙ্গ রদ — বাংলা আবার এক। বাঙালির জয় — ভারতের গণআন্দোলনের প্রথম বড় জয়! কিন্তু সাম্রাজ্য সুদে-আসলে হিসাব মেটাল: একই দরবারে ঘোষণা হলো রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরবে। বার্তা স্পষ্ট — যে শহর সাম্রাজ্য কাঁপায়, তাকে আর রাজধানীর মুকুট নয়। আর বিহার-ওড়িশাকে আলাদা প্রদেশ করা হলো; 'রদ' আসলে ছিল নতুন ছকে সাজানো। ইতিহাসের করুণ পরিহাস — ১৯০৫-এ যে ভাগ ছয় বছরে মুছে দিয়েছিল বাঙালির ঐক্য, ১৯৪৭-এ সেই ভাগই ফিরল স্থায়ী হয়ে — র‍্যাডক্লিফ লাইনের দুই পারে।

বঙ্গভঙ্গের ঘটনাপঞ্জি — ১৯০৩ থেকে ১৯১২

স্বদেশি শিল্প — বয়কটের গর্ভে জন্ম নেওয়া ব্র্যান্ডরা

স্বদেশি আন্দোলনের স্থায়ীতম দান সম্ভবত তার শিল্পোদ্যোগ — যার অনেকগুলি আজও বেঁচে! আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের বেঙ্গল কেমিক্যাল (১৯০১-এ প্রতিষ্ঠিত হলেও স্বদেশি জোয়ারেই যার উত্থান) — ল্যাবরেটরির জাতীয়তাবাদ; নীলরতন সরকারদের উদ্যোগে ন্যাশনাল ট্যানারি, বিভিন্ন স্বদেশি বস্ত্রকল, দেশলাই-সাবান-কালির কারখানা; বন্দে মাতরম্‌ ম্যাচ, স্বদেশি ছাতা-জুতোর বিজ্ঞাপনে ছয়লাপ সে যুগের পত্রিকা। ব্যাংকিং-বিমাতেও বিপ্লব — এই আবহেই জন্ম ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, সেন্ট্রাল ব্যাংক-এর মতো ভারতীয় ব্যাংকের (১৯০৬-১১ পর্বে), ন্যাশনাল ইনস্যুরেন্সের মতো বিমা সংস্থার; সমবায়-ঋণের প্রসারও এই দশকেই। পরিবহণে ইন্ডিয়ান স্টিম নেভিগেশনের স্বদেশি জাহাজ, আর তামিলনাড়ুতে সমান্তরাল প্রেরণায় ভি ও চিদাম্বরমের স্বদেশি স্টিম নেভিগেশন কোম্পানি — আন্দোলনের ঢেউ বাংলা ছাপিয়ে সর্বভারতীয়। শিক্ষা-বিজ্ঞানে জগদীশচন্দ্র-প্রফুল্লচন্দ্রের গবেষণা, ১৯০৬-এর জাতীয় শিক্ষা পরিষদ, আর সেই ধারারই পরিণত ফসল ১৯১৭-র বসু বিজ্ঞান মন্দির ও পরবর্তী যাদবপুর। ঐতিহাসিকদের মূল্যায়ন — স্বদেশি ব্যর্থ হয়নি; সে শিখিয়েছিল আত্মশক্তি — রবীন্দ্রনাথের সেই বিখ্যাত প্রবন্ধের শিরোনামই ছিল আন্দোলনের গভীরতম স্লোগান।

সাহিত্য-সংগীতে বঙ্গভঙ্গ — এক আন্দোলনের সাউন্ডট্র্যাক

বঙ্গভঙ্গ-পর্ব বাংলা সংস্কৃতির সবচেয়ে সৃষ্টিশীল রাজনৈতিক মুহূর্ত। রবীন্দ্রনাথ একাই লিখলেন প্রায় দুই ডজন স্বদেশি গান — 'আমার সোনার বাংলা', 'বাংলার মাটি বাংলার জল', 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে', 'সার্থক জনম আমার' — একটি আন্দোলনের জন্য এক কবির এমন সংগীত-অবদান বিশ্ব-ইতিহাসে বিরল; প্রথমটি তো আজ এক সার্বভৌম রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত! রজনীকান্ত সেনের 'মায়ের দেওয়া মোটা কাপড়' হয়ে উঠল বয়কটের থিম-সং; দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের 'ধনধান্য পুষ্পভরা' আর 'বঙ্গ আমার জননী আমার' — দেশাত্মবোধের চিরকালীন সম্পদ; মুকুন্দ দাসের যাত্রাগান গ্রামে গ্রামে আগুন ছড়াল — ব্রিটিশ সরকার এই 'চারণকবি'কে জেলে পুরেও গান থামাতে পারেনি। সাহিত্যে এই পর্বেই রবীন্দ্রনাথের 'গোরা'র প্রস্তুতি, পরে স্বদেশি যুগের আত্মসমীক্ষা নিয়ে 'ঘরে বাইরে' — যা নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র। আর জাতীয় পতাকার প্রথম নকশা, জাতীয় শিক্ষার স্বপ্ন, 'বন্দেমাতরম্‌' মন্ত্র — স্বাধীনতা আন্দোলনের গোটা প্রতীক-ভাণ্ডারের জন্মই এই পর্বে। ইতিহাসবিদরা তাই বলেন — ১৯৪৭-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল ১৯০৫-এই; বাঙালির প্রতিবাদ শিখিয়েছিল গোটা ভারতকে প্রতিরোধের ব্যাকরণ।

অজানা তথ্য — বঙ্গভঙ্গ নিয়ে যা কম জানা

আন্দোলনের মুখেরা — যাঁরা গড়লেন ইতিহাস

বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলন কোনো একক নায়কের নয় — এক ঝাঁক অসাধারণ মানুষের যৌথ মহাকাব্য। সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় — 'রাষ্ট্রগুরু'; সভা-সমিতি-সংবাদপত্রে ('বেঙ্গলি') আন্দোলনের প্রধান সংগঠক-কণ্ঠ, ব্রিটিশরা যাঁর নাম দিয়েছিল 'সারেন্ডার নট'! রবীন্দ্রনাথ — আন্দোলনের বিবেক ও সুরকার; রাখিবন্ধনের রূপকার, আবার স্বদেশির হিংসা-বিচ্যুতি দেখে সরে দাঁড়িয়ে 'ঘরে বাইরে'-র আত্মসমালোচনাও তাঁরই — আবেগ ও নৈতিকতার এই দ্বৈরথ আজও পাঠ্য। ঋষি অরবিন্দ — 'বন্দেমাতরম্‌' পত্রিকায় পূর্ণ স্বরাজের প্রথম নির্ভীক তাত্ত্বিক; জাতীয় শিক্ষার প্রথম অধ্যক্ষ, পরে আলিপুর মামলা হয়ে পন্ডিচেরির যোগী। বিপিনচন্দ্র পাল — অগ্নিবর্ষী বাগ্মী, লাল-বাল-পাল ত্রয়ীর 'পাল'; মাদ্রাজ-সহ সারা ভারতে স্বদেশির বার্তাবাহক। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়নীলরতন সরকার — বিজ্ঞান-শিল্পে স্বদেশির রূপকার; আশুতোষ মুখোপাধ্যায় শিক্ষায় জাতীয় আত্মমর্যাদার স্তম্ভ। অশ্বিনীকুমার দত্ত — বরিশালে স্বদেশ বান্ধব সমিতির প্রাণপুরুষ, যাঁর সংগঠন-জাল দেখে ব্রিটিশ রিপোর্ট লিখেছিল — এ জেলায় সরকার নয়, অশ্বিনী দত্তই শাসক! নারীশক্তিরও উজ্জ্বল উপস্থিতি — সরলা দেবী চৌধুরানীর 'বীরাষ্টমী' ব্রত ও শক্তি-সাধনার ডাক, ঠাকুরবাড়ির মেয়েদের স্বদেশি ভাণ্ডার। আর নেপথ্যের লক্ষ নামহীন মানুষ — যে ছাত্র বিলিতি কাপড়ের দোকানে পিকেট করে বেত খেয়েছে, যে গৃহবধূ সন্ধ্যায় শাঁখ বাজিয়ে ব্রত রেখেছেন — ইতিহাস তাঁদের নাম রাখেনি, ফল রেখেছে। এই সম্মিলিত মুখগুলিই পরের প্রজন্মের নেতাজি-ক্ষুদিরামদের কাঁধে তুলে দিয়েছিল মশাল — আন্দোলন শেষ হয়, রিলে-দৌড় থামে না।

সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

বঙ্গভঙ্গ কবে কার্যকর হয়?

১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর। লর্ড কার্জনের সরকার বাংলাকে ভেঙে ঢাকা-রাজধানীর 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' এবং পশ্চিমের 'বাংলা' — দুই প্রদেশ করে।

বঙ্গভঙ্গের আসল কারণ কী ছিল?

সরকারি যুক্তি ছিল প্রশাসনিক সুবিধা; কিন্তু ঐতিহাসিকদের মতে আসল লক্ষ্য ছিল জাতীয়তাবাদের কেন্দ্র বাংলাকে ধর্মীয় ও ভাষিক রেখায় ভেঙে দুর্বল করা — 'ডিভাইড অ্যান্ড রুল' নীতি।

রাখিবন্ধন উৎসব কেন পালিত হয়েছিল?

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিকল্পনায় ১৬ অক্টোবর ১৯০৫-এ হিন্দু-মুসলমান পরস্পরের হাতে রাখি বেঁধে ঘোষণা করেন — শাসকের কাঁচি বাঙালির ভ্রাতৃত্ব কাটতে পারবে না। সেদিন অরন্ধনও পালিত হয় — ঘরে ঘরে উনুন জ্বলেনি।

স্বদেশি আন্দোলন কী?

বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনের মূল কর্মসূচি — বিলিতি পণ্য বয়কট এবং দেশীয় পণ্য, শিক্ষা ও শিল্পের প্রসার। এ থেকেই জাতীয় শিক্ষা পরিষদ, স্বদেশি কারখানা ও অগ্নিযুগের বিপ্লবী আন্দোলনের জন্ম।

বঙ্গভঙ্গ রদ হয় কবে?

১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লি দরবারে সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা করেন; একই সঙ্গে ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে সরানো হয়।


ইতিহাসের পরের অধ্যায়গুলি পড়ুন — ক্ষুদিরাম বসু, ভাষা আন্দোলনস্বাধীনতা দিবসের ইতিহাসবঙ্গভঙ্গবঙ্গভঙ্গ রদের স্মরণ-পাতাও দেখুন।

প্রচ্ছদ ছবি: XrysD, উইকিমিডিয়া কমন্স — CC BY-SA 4.0

সম্পর্কিত পাতা

← বাংলার ঐতিহ্য ও ইতিহাস  |  সঠিক বাংলা ক্যালেন্ডার