🏛️ ইতিহাস · ৩ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার
১৫ আগস্ট ২০২৬, শনিবার ভারতের ৭৯তম স্বাধীনতা বার্ষিকী। মধ্যরাতের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, দুইশো বছরের সংগ্রাম, বাংলার অগ্নিযুগের বিপ্লবীরা আর তেরঙা পতাকার অজানা ইতিহাস — সম্পূর্ণ বিবরণ।
১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট মধ্যরাত। দিল্লির সংবিধান সভায় দাঁড়িয়ে জওহরলাল নেহরু উচ্চারণ করলেন ইতিহাসের সেই অমর বাক্য — "At the stroke of the midnight hour, when the world sleeps, India will awake to life and freedom." ঘড়ির কাঁটা বারোটা ছুঁতেই দুইশো বছরের ব্রিটিশ শাসনের অবসান — জন্ম নিল স্বাধীন ভারত। এ বছর ১৫ আগস্ট ২০২৬, শনিবার (৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩) আমরা পালন করব স্বাধীনতার ৭৯তম বার্ষিকী।
কিন্তু এই একটি মধ্যরাতের পিছনে আছে লক্ষ শহিদের রক্ত, হাজারো আন্দোলন, আর বাংলার অগ্নিযুগের সেই দুঃসাহসী ছেলেমেয়েরা — যাঁদের অনেকের নামই আজ আমরা ভুলতে বসেছি। এই নিবন্ধে স্বাধীনতা সংগ্রামের সম্পূর্ণ যাত্রাপথ, বাংলার অবদান আর ১৫ আগস্টের কিছু অজানা তথ্য।
১৭৫৭-র পলাশির যুদ্ধে বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্যে দিয়েই ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ভিত গাঁথা হয়েছিল — অর্থাৎ পরাধীনতার শুরুটাও বাংলায়, আর প্রতিরোধের আগুনও প্রথম দাউদাউ করে জ্বলেছিল এই বাংলাতেই। ১৮৫৭-র মহাবিদ্রোহে ব্যারাকপুরের সিপাহি মঙ্গল পাণ্ডে প্রথম গুলি চালিয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে যান। বিদ্রোহ দমনের পর কোম্পানির হাত থেকে শাসনভার গেল সরাসরি ব্রিটিশ রাজশক্তির হাতে — শুরু হলো নতুন পর্বের লড়াই।
১৮৮৫-তে জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর সাংবিধানিক আন্দোলনের পথ খুলল, যার অন্যতম পূর্বসূরি ছিল কলকাতার ভারত সভা। কিন্তু বাঙালির রক্ত সত্যিকারের গরম হলো ১৯০৫-এ — লর্ড কার্জন যখন বাংলাকে দু'টুকরো করলেন। বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী স্বদেশি আন্দোলনে গোটা বাংলা ফেটে পড়ল; বিলিতি পণ্য বয়কট, রাখিবন্ধন, আর 'বন্দেমাতরম্' ধ্বনিতে কেঁপে উঠল ব্রিটিশ প্রশাসন। ১৯১১-তে বঙ্গভঙ্গ রদ হলো বটে, কিন্তু ব্রিটিশরা রাজধানীই সরিয়ে নিল কলকাতা থেকে দিল্লিতে — বাঙালির আন্দোলনের ভয়ে, এ কথা ইতিহাসবিদরা খোলাখুলিই লেখেন।
স্বদেশি আন্দোলনের গর্ভেই জন্ম নিল সশস্ত্র বিপ্লবের 'অগ্নিযুগ'। অনুশীলন সমিতি আর যুগান্তর দলের গোপন আখড়ায় তৈরি হতে লাগল একদল দুঃসাহসী তরুণ। ১৯০৮-এ মুজফ্ফরপুরে বোমা ছুড়ে ফাঁসির মঞ্চে উঠল আঠারো বছরের ক্ষুদিরাম বসু — ভারতের কনিষ্ঠতম শহিদদের একজন। বুড়িবালামের তীরে যুদ্ধ করে শহিদ হলেন বাঘা যতীন, যাঁর সম্পর্কে ব্রিটিশ পুলিশকর্তা টেগার্ট নিজেই নাকি বলেছিলেন — এই মানুষটি ইংরেজ হলে তাঁর মূর্তি বসত ট্রাফালগার স্কোয়ারে।
১৯৩০-এ মাস্টারদা সূর্য সেনের নেতৃত্বে ঘটল অবিশ্বাস্য সেই ঘটনা — চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন; কয়েকদিনের জন্য হলেও চট্টগ্রাম হয়ে উঠেছিল স্বাধীন! প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, কল্পনা দত্ত, বীণা দাস, মাতঙ্গিনী হাজরা — বাংলার মেয়েরাও পিছিয়ে থাকেননি এক পা-ও। আন্দামানের সেলুলার জেলের অন্ধকার কুঠুরিগুলিতে বন্দি বিপ্লবীদের সিংহভাগই ছিলেন বাঙালি — এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় স্বাধীনতার বেদিতে বাংলার রক্তঋণ কতখানি।
১৯২০-র দশক থেকে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ, আইন অমান্য আর ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে দেশজোড়া গণজাগরণ এল। আর এই ধারার সমান্তরালে জ্বলে উঠলেন বাংলার আরেক অগ্নিপুত্র — নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ১৯৪১-এ কলকাতার এলগিন রোডের বাড়ি থেকে ব্রিটিশ নজরদারি এড়িয়ে তাঁর মহানিষ্ক্রমণ, তারপর সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজের নেতৃত্ব গ্রহণ — "তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব" — এই ডাকে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার ভারতীয় প্রাণ দিলেন ইম্ফল-কোহিমার রণাঙ্গনে। ঐতিহাসিকদের অনেকেই মনে করেন, আজাদ হিন্দ ফৌজের অভিযান আর ১৯৪৬-এর নৌবিদ্রোহ ব্রিটিশদের বুঝিয়ে দিয়েছিল — ভারতীয় সেনার আনুগত্যের ওপর ভরসা করে আর সাম্রাজ্য টেকানো যাবে না। নেতাজির সম্পূর্ণ জীবনকথা পড়ুন এখানে।
১৯৪৭-এর ১৫ আগস্ট সারা দেশ যখন উৎসবে মেতেছিল, বাংলার ঘরে ঘরে তখন উৎসবের সঙ্গে মিশে ছিল হাহাকার — কারণ স্বাধীনতা এসেছিল দেশভাগের রক্তাক্ত উপহার নিয়ে। র্যাডক্লিফের পেনসিলের এক টানে বাংলা ভাগ হলো দ্বিতীয়বার — এবার চিরতরে। লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিটেমাটি ছেড়ে সীমান্ত পেরোলেন; সেই উদ্বাস্তু-স্রোতের স্মৃতি আজও পশ্চিমবঙ্গের সমাজজীবনে জীবন্ত। মহাত্মা গান্ধী নিজে সেদিন দিল্লির উৎসবে ছিলেন না — সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা থামাতে তিনি তখন কলকাতার বেলেঘাটায়, অনশনে। ইতিহাস একে মনে রেখেছে 'ক্যালকাটা মিরাকল' নামে — একা গান্ধীজির উপস্থিতি যা করেছিল, হাজারো পুলিশ-মিলিটারি তা পারেনি।
স্বাধীনতার সকালে জোড়াসাঁকো থেকে ভেসে এসেছিল রবীন্দ্রনাথের গান — 'জন গণ মন'। ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি সেই গানই স্বাধীন ভারতের জাতীয় সংগীতের স্বীকৃতি পেল।
জাতীয় পতাকার বিবর্তনও এক আস্ত ইতিহাস। ১৯০৬ সালের ৭ আগস্ট কলকাতার পার্সিবাগান স্কোয়ারে উত্তোলিত হয় প্রথম দিকের জাতীয় পতাকাগুলির একটি — সবুজ-হলুদ-লালের তিন ডোরায় পদ্ম, বন্দেমাতরম্ ও চাঁদ-সূর্য আঁকা 'ক্যালকাটা ফ্ল্যাগ'। পরের বছর জার্মানির স্টুটগার্টে মাদাম ভিকাজি কামা আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ওড়ালেন নির্বাসিত বিপ্লবীদের পতাকা — বিদেশের মাটিতে ভারতের পতাকা উত্তোলনের প্রথম নথিভুক্ত ঘটনা। ১৯২১-এ পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়ার নকশা গান্ধীজির পরামর্শে পেল চরকা; আর ১৯৪৭-এর ২২ জুলাই সংবিধান সভা গ্রহণ করল আজকের তেরঙা — গেরুয়া (ত্যাগ), সাদা (শান্তি ও সত্য), সবুজ (সমৃদ্ধি), মাঝে সারনাথের অশোকস্তম্ভের চব্বিশ আরার ধর্মচক্র — যার প্রতিটি আরা এক-একটি জীবনমূল্যের প্রতীক। জেনে রাখা ভালো — জাতীয় পতাকার কাপড় আইনত খাদি; কর্ণাটকের একটিমাত্র ইউনিট (হুবলির কাছে গরগ) দীর্ঘকাল ছিল সরকার-অনুমোদিত একমাত্র নির্মাতা। ২০০২ সালের ফ্ল্যাগ কোড সংশোধনের পর তবেই সাধারণ নাগরিকের সারা বছর পতাকা ওড়ানোর অধিকার স্বীকৃত হয় — যে অধিকারের জন্য শিল্পপতি নবীন জিন্দালের দীর্ঘ আইনি লড়াই ইতিহাসে লেখা।
১৫ আগস্টের আলোর পাশেই ইতিহাসের গাঢ়তম ছায়া — দেশভাগ। র্যাডক্লিফ কমিশনের সীমানা ঘোষিত হলো স্বাধীনতারও দু'দিন পরে, ১৭ আগস্ট — মানুষ জানতই না, তার গ্রাম কোন দেশে! পাঞ্জাব আর বাংলা — দুই প্রান্তে ইতিহাসের বৃহত্তম গণ-অভিবাসনগুলির একটি; কোটির ওপর মানুষ ভিটেছাড়া, লক্ষ লক্ষ প্রাণহানি। পাঞ্জাবের রক্তক্ষয় ছিল আকস্মিক ও প্রবল; বাংলার ক্ষত দীর্ঘস্থায়ী — ১৯৪৭ থেকে পঞ্চাশ-ষাটের দশক জুড়ে ঢেউয়ের পর ঢেউয়ে ওপার থেকে এপারে এসেছেন উদ্বাস্তুরা; শিয়ালদহ স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম, দণ্ডকারণ্য, আন্দামান — পুনর্বাসনের সেই যন্ত্রণা-মানচিত্র বাঙালির সমাজ-রাজনীতি-সাহিত্যকে আজও গড়ে চলেছে। ঋত্বিক ঘটকের 'মেঘে ঢাকা তারা' থেকে অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে', সুনীলের 'পূর্ব-পশ্চিম' — দেশভাগ-সাহিত্য বাংলা সংস্কৃতির এক গোটা মহাদেশ। স্বাধীনতা দিবসে তাই বাঙালির উদ্যাপনে মিশে থাকে এক অনুচ্চারিত প্রার্থনা — সীমান্ত আর যেন কারও ঘর না ভাঙে। বঙ্গভঙ্গ থেকে দেশভাগের সেই ধারাবাহিকতার কাহিনি পড়ুন এখানে।
কলকাতার রেড রোডের কুচকাওয়াজ থেকে পাড়ার ক্লাবের পতাকা উত্তোলন, স্কুলে স্কুলে 'ধনধান্য পুষ্পভরা' আর মিষ্টি বিতরণ — বাংলার ১৫ আগস্টের নিজস্ব এক আবেগ আছে। নেতাজি ভবন, ক্ষুদিরামের জন্মভিটে মোহবনি, বাঘা যতীনের জন্মস্থান — বিপ্লবীদের স্মৃতিজড়িত স্থানগুলিতে হয় বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য। এই দিনে অনেকে পূর্বপুরুষ শহিদদের স্মরণে তর্পণও করেন। ১৫ আগস্ট ২০২৬-এর তিথি-নক্ষত্র দেখুন পঞ্জিকা পাতায়, আর জাতীয় দিবসগুলির পূর্ণ তালিকা স্বাধীনতা দিবসের পাতায়।
স্বাধীনতা দিবসের রাষ্ট্রীয় আচারগুলিরও নিজস্ব ইতিহাস ও নিয়ম আছে। লালকেল্লার অনুষ্ঠান — প্রধানমন্ত্রীর পতাকা উত্তোলন, একুশ তোপের অভিবাদন (আসলে ২৫-পাউন্ডার বন্দুকের ফাঁকা তোপ!), জাতির উদ্দেশে ভাষণ — নেহরু থেকে আজ পর্যন্ত অটুট এই ধারায় প্রতি বছর ঘোষিত হয় জাতীয় অগ্রাধিকার; ভাষণ-মঞ্চের সেই প্রাচীর ১৭ শতকের মুঘল স্থাপত্য — ইতিহাসের কী পরিহাস, শাহজাহানের কেল্লা থেকেই সাম্রাজ্য-অন্তের বার্ষিক ঘোষণা! লক্ষণীয় সূক্ষ্মতা — ১৫ আগস্ট পতাকা 'উত্তোলন' (hoisting: নিচ থেকে দড়িতে তোলা — নতুন রাষ্ট্রের অভ্যুদয়ের প্রতীক), আর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে 'উন্মোচন' (unfurling: বাঁধা পতাকা খুলে দেওয়া) — রাষ্ট্রাচারের এই পার্থক্য অনেকেরই অজানা। ফ্ল্যাগ কোড মেনে পতাকার মর্যাদাবিধিও জরুরি — সূর্যাস্তের পরে নামানো (আলোকিত স্তম্ভ ব্যতিক্রম), মাটি না ছোঁয়ানো, ছেঁড়া-বিবর্ণ পতাকার সসম্মান বিসর্জন; ২০০২-এর সংশোধনী নাগরিকের সারা বছর পতাকা ওড়ানোর অধিকার দিয়েছে, আর 'হর ঘর তিরঙ্গা' পর্ব সেই অধিকারকে করেছে গণ-উৎসব। বাংলার নিজস্ব রীতিও সমৃদ্ধ — রেড রোডের কুচকাওয়াজ, স্কুলের প্রভাতফেরি ও 'ধনধান্য পুষ্পভরা', ক্লাবে ক্লাবে রক্তদান শিবির (উৎসবকে সেবায় রূপান্তরের বাঙালি ঘরানা!), বেকার হোস্টেল-নেতাজি ভবন-বিপ্লবী মিউজিয়ামে শ্রদ্ধার্ঘ্য, আর বাড়ির ছাদে ঘুড়ি — স্বাধীনতার আকাশে ভোকাট্টার মহড়া উত্তর ভারতের মতো বাংলাতেও ক্রমে জনপ্রিয়। সন্ধ্যায় দেশাত্মবোধক গানের জলসা — 'মুক্তির মন্দির সোপানতলে' থেকে 'ও আমার দেশের মাটি' — দিনটি শেষ হয় সুরে; যে জাতির স্বাধীনতা-সংগ্রামের অস্ত্রই ছিল গান, তার উদ্যাপনও তো গানেই হবে!
১৫ আগস্ট ২০২৬, শনিবার ভারত পালন করবে ৮০তম স্বাধীনতা দিবস — ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার ৭৯তম বার্ষিকী।
১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে (অর্থাৎ ১৫ আগস্টের সূচনালগ্নে) ভারত ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন হয়। জওহরলাল নেহরু হন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন এই তারিখ বেছেছিলেন — ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জাপানের আত্মসমর্পণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার দ্বিতীয় বার্ষিকীর সঙ্গে মিলিয়ে।
পলাশি থেকে পরাধীনতার শুরু, আর প্রতিরোধের সূচনাও বাংলায় — মঙ্গল পাণ্ডে, ক্ষুদিরাম বসু, বাঘা যতীন, মাস্টারদা সূর্য সেন, প্রীতিলতা, মাতঙ্গিনী হাজরা থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র — অগ্নিযুগের বিপ্লব থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজ, স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতিটি অধ্যায়ে বাংলার ভূমিকা অগ্রগণ্য। সেলুলার জেলের বন্দিদের সিংহভাগই ছিলেন বাঙালি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'জন গণ মন' ১৯১১ সালে প্রথম গাওয়া হয় এবং ১৯৫০ সালের ২৪ জানুয়ারি স্বাধীন ভারতের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়।
স্বাধীনতা সংগ্রামের আরও অধ্যায় পড়ুন — বঙ্গভঙ্গ, চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন ও নেতাজি জন্মজয়ন্তীর পাতায়। শ্রাবণ মাসের ক্যালেন্ডার দেখুন এখানে।
প্রচ্ছদ ছবি: Dennis G. Jarvis, উইকিমিডিয়া কমন্স.jpg) — CC BY-SA 2.0