🌟 ব্যক্তিত্ব · ২৩ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার
চুরুলিয়ার দুখু মিয়া থেকে বাংলার বিদ্রোহী কবি ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি — 'বিদ্রোহী'র আগুন, জেলের অনশন, শ্যামাসংগীত ও গজলের যুগলবন্দি আর ৩৪ বছরের নীরবতা। কাজী নজরুল ইসলামের সম্পূর্ণ জীবনকথা ও অজানা তথ্য।
"বল বীর — বল উন্নত মম শির!" — বাংলা কবিতার ইতিহাসে এমন বজ্রনির্ঘোষ আর দ্বিতীয়টি নেই। ১৯২১ সালের শেষে এক রাতে কলকাতার এক মেসবাড়িতে বসে বাইশ বছরের এক তরুণ লিখে ফেলেছিলেন ১৩৯ পঙ্ক্তির এক কবিতা — 'বিদ্রোহী' — আর রাতারাতি বাংলা সাহিত্যে জন্ম নিয়েছিল এক নতুন যুগ। সেই তরুণ কাজী নজরুল ইসলাম — বাঙালির বিদ্রোহী কবি, বাংলাদেশের জাতীয় কবি, আর সম্ভবত বাংলা গানের সবচেয়ে বিস্ময়কর প্রতিভা।
অথচ তাঁর জীবনের গল্প কবিতার চেয়েও নাটকীয় — রুটির দোকানের কিশোর শ্রমিক থেকে সৈনিক, সৈনিক থেকে কবি, কবি থেকে চৌত্রিশ বছরের নির্বাক নীরবতা। জন্মতিথি ১১ জ্যৈষ্ঠ আর প্রয়াণ ২৯ আগস্ট — বছরের এই দুই প্রান্তে দুই বাংলা তাঁকে স্মরণ করে সমান আবেগে। সম্পূর্ণ জীবনকথা রইল।
১৮৯৯ সালের ২৪ মে (বাংলা ১১ জ্যৈষ্ঠ) বর্ধমানের চুরুলিয়া গ্রামে জন্ম নজরুলের। দারিদ্র্য এতটাই নিত্যসঙ্গী ছিল যে ডাকনামই হয়ে গেল 'দুখু মিয়া'। ন'বছর বয়সে বাবা কাজী ফকির আহমেদের মৃত্যু; সংসার টানতে বালক নজরুল মক্তবে পড়িয়েছেন, মাজারের খাদেমের কাজ করেছেন, মসজিদে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব সামলেছেন — দশ বছরের ছেলের কাঁধে এত ভার! তারপর যোগ দিলেন লেটো দলে — বাংলার লোকনাট্যের সেই ভ্রাম্যমাণ আসরে কবিগান, পালা রচনা আর সুরের হাতেখড়ি; চাচা বজলে করিমের কাছে শিখলেন ফারসি-উর্দু কাব্যের আস্বাদ। রুটির দোকানে কাজ করতে করতে আসানসোলে পুলিশ কর্মকর্তা রফিজউল্লাহর নজরে পড়া, ময়মনসিংহের স্কুলে ভর্তি — জীবন যেন আগে থেকেই মহাকাব্যের খসড়া লিখছিল।
১৯১৭ সালে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ডামাডোলে ম্যাট্রিকের টেস্ট না দিয়েই আঠারো বছরের নজরুল ভর্তি হলেন সেনাবাহিনীতে — ৪৯ নম্বর বেঙ্গল রেজিমেন্ট, করাচি সেনানিবাস। আড়াই বছরের সৈনিকজীবনে উঠলেন হাবিলদার পদে, আর ব্যারাকে বসেই চলল সাহিত্যচর্চা — প্রথম গদ্য 'বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী', প্রথম কবিতা প্রকাশিত হলো কলকাতার পত্রিকায় করাচি থেকেই। এক মৌলবির কাছে শিখলেন ফারসি — হাফিজ, রুমি, ওমর খৈয়ামের কাব্য তাঁর রক্তে ঢুকে গেল; পরে এই নজরুলই খৈয়ামের রুবাইয়াতের বাংলা অনুবাদ করবেন। ১৯২০-তে রেজিমেন্ট ভেঙে গেলে কলকাতায় ফিরলেন কবি — কাঁধে সৈনিকের ঝোলা, বুকে আগুন।
কলকাতার ৩/৪সি তালতলা লেনের মেসে এক রাতে জন্ম নিল 'বিদ্রোহী' — কমরেড মুজফ্ফর আহমদের স্মৃতিচারণে, ভোরে তিনিই প্রথম শ্রোতা। ১৯২২-এর গোড়ায় 'বিজলী' পত্রিকায় প্রকাশ হতেই বাংলা জুড়ে বিদ্যুৎ খেলে গেল — এক কবিতায় ব্রিটিশ শাসনের বুকে এমন হুংকার এর আগে কেউ দেয়নি। কথিত আছে, স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ তরুণ কবিকে জড়িয়ে ধরে আশীর্বাদ করেছিলেন।
একই বছরে বেরোল আগ্নেয় কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' আর নিজের সম্পাদনায় অর্ধ-সাপ্তাহিক 'ধূমকেতু' — যার শিরোনামের নিচে ছাপা হতো পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি, যখন কংগ্রেসও তা বলতে সাহস করেনি। ফল যা হওয়ার তাই — 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য রাজদ্রোহের মামলা, এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড। আদালতে নজরুল দিলেন সেই ঐতিহাসিক জবানবন্দি — 'রাজবন্দীর জবানবন্দী': "আমার বাণী সত্যের প্রকাশ… আমি বিদ্রোহী বলিয়াই ভগবানের প্রিয়।" জেলে অন্যায়ের প্রতিবাদে টানা প্রায় চল্লিশ দিন অনশন করলেন; উদ্বিগ্ন রবীন্দ্রনাথ 'বসন্ত' গীতিনাট্য উৎসর্গ করলেন নজরুলকে আর তার পাঠালেন — "Give up hunger strike, our literature claims you." সাহিত্যের দাবিতেই ফিরলেন কবি।
কবিতা নজরুলকে খ্যাতি দিয়েছে, কিন্তু সংগীত দিয়েছে অমরত্ব। প্রায় তিন-চার হাজার গানের স্রষ্টা তিনি — সংখ্যায় ও বৈচিত্র্যে পৃথিবীর সংগীত-ইতিহাসেই বিরল। বাংলা ভাষায় গজলের জন্ম তাঁর হাতে — 'আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন', 'বাগিচায় বুলবুলি তুই'; আবার সেই একই কলম লিখেছে আশ্চর্য সব শ্যামাসংগীত — 'শ্মশানে জাগিছে শ্যামা মা', 'বল রে জবা বল'। ইসলামি গজল-হামদ-নাত থেকে কীর্তন-ভজন — এক শিল্পীর কণ্ঠে দুই ধর্মের ভক্তিসংগীতের এমন সমান দখল মানব-ইতিহাসেই প্রায় নজিরবিহীন। গ্রামোফোন কোম্পানি আর বেতারে সুরকার-প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন; 'চল্ চল্ চল্' গানটি আজ বাংলাদেশের রণসংগীত।
তাঁর ব্যক্তিজীবনও ছিল সেই সমন্বয়েরই প্রতিচ্ছবি — বিয়ে করলেন ব্রাহ্ম-হিন্দু ঘরের প্রমীলা দেবীকে; সন্তানদের নাম রাখলেন কৃষ্ণ মুহম্মদ, অরিন্দম খালেদ, সব্যসাচী, অনিরুদ্ধ — নামেই দুই সংস্কৃতির মিলনমন্ত্র। লিখলেন — "মোরা এক বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান।" সাম্প্রদায়িকতার বিষে নীল উপমহাদেশে নজরুল আজও সম্প্রীতির সবচেয়ে উঁচু মিনার।
১৯৪২ সালের জুলাইয়ে বেতার অনুষ্ঠান চলাকালীনই অসুস্থ হলেন কবি — দ্রুত হারালেন বাকশক্তি, তারপর স্মৃতি। বহু পরে (১৯৫৩) ভিয়েনার চিকিৎসকেরা জানালেন — পিক্স ডিজিজ, মস্তিষ্কের দুরারোগ্য ক্ষয়রোগ; ততদিনে চিকিৎসার সময় পেরিয়ে গেছে। যে কণ্ঠ ছিল ঝড়ের, সে রইল নীরব চৌত্রিশ বছর — ভাবা যায়, 'বিদ্রোহী'র কবি জীবনের অর্ধেকটা কাটালেন নির্বাক! দারিদ্র্য আর অসুখের সেই দিনগুলিতে দুই বাংলার মানুষ, সরকার ও অনুরাগীরা পাশে দাঁড়িয়েছেন — ১৯৬০-এ ভারত সরকার দিল পদ্মভূষণ।
১৯৭২-এ সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের আমন্ত্রণে অসুস্থ কবিকে সপরিবারে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হলো; পেলেন জাতীয় কবির মর্যাদা ও নাগরিকত্ব, একুশে পদক। ১৯৭৬-এর ২৯ আগস্ট ঢাকায় প্রয়াণ; নিজের গানের পঙ্ক্তি — "মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই" — মেনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাহিত হলেন বিদ্রোহী কবি। জানাজায় নেমেছিল লক্ষ মানুষের ঢল।
নজরুলের রচনার পরিধি তাঁর জীবনের মতোই বিশাল। কাব্যে 'অগ্নিবীণা'র (১৯২২) পরে 'বিষের বাঁশী', 'ভাঙার গান', 'সাম্যবাদী', 'সর্বহারা', 'ফণিমনসা' — ব্রিটিশ সরকার একে একে নিষিদ্ধ করেছে তাঁর পাঁচটি বই — ঔপনিবেশিক ভারতে এক লেখকের এতগুলি বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ বিরলতম নজির! 'সাম্যবাদী' পর্বের কবিতায় তিনি সাম্যের যে মন্ত্র শুনিয়েছেন — "গাহি সাম্যের গান / মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান" — বাংলা কবিতায় মানবতাবাদের এমন সরাসরি ঘোষণা আগে আসেনি। 'নারী' কবিতায় লিখলেন — "বিশ্বে যা-কিছু মহান সৃষ্টি চির-কল্যাণকর / অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর" — শতবর্ষ আগের এই পঙ্ক্তি আজও নারী-আন্দোলনের স্লোগান। গদ্যেও সমান সচল — 'মৃত্যুক্ষুধা' ও 'বাঁধনহারা' (বাংলার প্রথম পত্রোপন্যাসগুলির একটি) উপন্যাস, 'ব্যথার দান'-এর গল্প, 'যুগবাণী'র অগ্নিঝরা সম্পাদকীয়। শিশুসাহিত্যে 'লিচু চোর' আর 'খুকী ও কাঠবেরালি' পড়েনি, এমন বাঙালি শিশু নেই! আর সংগীতে — 'নজরুলগীতি' আজ রবীন্দ্রসংগীতের পাশে বাংলা গানের দ্বিতীয় মহাস্তম্ভ; 'দুর্গম গিরি কান্তার মরু' থেকে 'মোরা ঝঞ্ঝার মতো উদ্দাম' — মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে এই গানই ছিল বারুদ।
নজরুল-অনুরাগীর ভ্রমণ-মানচিত্রও সমৃদ্ধ। পশ্চিম বর্ধমানের চুরুলিয়ায় কবির জন্মভিটে ঘিরে নজরুল অ্যাকাডেমি ও সংগ্রহশালা — পাণ্ডুলিপি, গ্রামোফোন রেকর্ড, ব্যবহৃত সামগ্রী; প্রতি বছর ১১ জ্যৈষ্ঠে সপ্তাহব্যাপী নজরুল মেলা — যেখানে কবি-পত্নী প্রমীলা দেবীর সমাধিও। আসানসোলে যে রুটির দোকানে কাজ করতেন কিশোর দুখু, সেই স্মৃতি আজ সংরক্ষিত; আসানসোলের বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়। কলকাতায় নজরুল-স্মৃতি ছড়িয়ে কলেজ স্ট্রিট-তালতলার মেসবাড়ি থেকে চেতলার বাসা পর্যন্ত; রবীন্দ্রসদন-লাগোয়া 'নজরুল তীর্থ' (নিউ টাউন) আধুনিক সংস্কৃতিকেন্দ্র তাঁরই নামে। আর ঢাকায় — বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের পাশে কবির সমাধি আজ জাতীয় তীর্থ; ত্রিশালে (ময়মনসিংহ) কৈশোর-স্মৃতিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়। দুই বাংলার এই যৌথ উত্তরাধিকারই নজরুলের শ্রেষ্ঠ স্মৃতিসৌধ — সীমান্তের দু'পারে সমান আপন, এমন কবি পৃথিবীতে ক'জন!
নজরুলের আরেকটি পরিচয় পাঠ্যবইয়ে প্রায়ই চাপা পড়ে — তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম সারির শ্রমিক-কৃষক আন্দোলনের সাংস্কৃতিক কণ্ঠ। কমরেড মুজফ্ফর আহমদের সঙ্গে তাঁর যুগলবন্দিতে 'নবযুগ' (১৯২০) আর পরে 'লাঙল' ও 'গণবাণী' পত্রিকা — বাংলায় শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে সাংবাদিকতার পথিকৃৎ-পর্ব; 'লাঙল'-এর প্রথম সংখ্যাতেই ছাপা হয়েছিল তাঁর 'সাম্যবাদী' কবিতাগুচ্ছ, আর কৃষক-শ্রমিকের দুঃখ নিয়ে জ্বালাময়ী সব লেখা। ১৯২৫-এ কৃষ্ণনগরে বসবাসের পর্বে তিনি সরাসরি রাজনৈতিক সংগঠনেও যুক্ত — শ্রমিক-প্রজা-স্বরাজ দলের কর্মকাণ্ডে, সম্মেলনের মঞ্চে গণসংগীত গেয়ে; 'কাণ্ডারী হুঁশিয়ার' লেখা এই পর্বেই — যা আজও প্রতিটি গণ-আন্দোলনের মিছিলে বাজে। ১৯২৬-এ ঢাকার নির্বাচনী রাজনীতিতেও নেমেছিলেন (কেন্দ্রীয় আইনসভার প্রার্থী হয়ে — জেতেননি, কিন্তু প্রচারসভাগুলি হয়ে উঠেছিল গানের জলসা!)। তাঁর গণসংগীত-ভাণ্ডার — 'শিকল-পরা ছল', 'কারার ঐ লৌহকপাট', 'দুর্গম গিরি' — ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, এমনকি হালের ছাত্র-আন্দোলন পর্যন্ত প্রতিটি প্রতিবাদের প্লে-লিস্টে; 'কারার ঐ লৌহকপাট' নিয়ে সাম্প্রতিক সুর-বিতর্কে দুই বাংলার সম্মিলিত প্রতিক্রিয়াই প্রমাণ — এ গান জাতির আবেগ-সম্পত্তি। মজার তথ্য — ব্রিটিশ গোয়েন্দা-নথিতে নজরুলের ফাইল ছিল রীতিমতো মোটা; কবিতার বই নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি তাঁর গতিবিধিতেও নজরদারি চলত। কলম আর হারমোনিয়াম — এই দুই 'অস্ত্রে' এক মানুষ সাম্রাজ্যের এত মাথাব্যথার কারণ হয়েছেন, উপমহাদেশের ইতিহাসে তেমন নজির নজরুল ছাড়া কমই।
১৮৯৯ সালের ২৪ মে (১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬), অবিভক্ত বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে। দারিদ্র্যের কারণে তাঁর ডাকনাম ছিল দুখু মিয়া।
১৯২১-২২-এ প্রকাশিত 'বিদ্রোহী' কবিতা ও 'অগ্নিবীণা' কাব্যে ব্রিটিশ শাসন ও সব রকম অন্যায়ের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন বজ্রকণ্ঠের জন্য। 'ধূমকেতু' পত্রিকায় রাজদ্রোহের দায়ে কারাবরণও করেন তিনি।
গবেষকদের হিসাবে প্রায় তিন থেকে চার হাজার গান — নজরুলগীতি নামে খ্যাত। বাংলা গজলের স্রষ্টা তিনি; পাশাপাশি শ্যামাসংগীত, ভজন, ইসলামি গজল — সব ধারাতেই তাঁর অবদান অতুলনীয়।
১৯৪২ সালে দুরারোগ্য স্নায়ুরোগে (পরে চিহ্নিত পিক্স ডিজিজ) তিনি বাকশক্তি ও স্মৃতি হারান — জীবনের শেষ ৩৪ বছর ছিলেন নির্বাক।
১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে অসুস্থ কবিকে ঢাকায় নেওয়া হয় এবং জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়; ১৯৭৬-এ নাগরিকত্বও দেওয়া হয়। সে বছরই ২৯ আগস্ট ঢাকায় তিনি প্রয়াত হন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের পাশে সমাহিত হন।
পড়ুন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — ২২শে শ্রাবণ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস। প্রতিদিনের তিথি-নক্ষত্র আজকের পঞ্জিকায়।
প্রচ্ছদ ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স — পাবলিক ডোমেন