দেবীর বোধন — দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক সূচনা
মহাষষ্ঠী দুর্গাপূজার প্রথম প্রকাশ্য দিন। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে দেবী দুর্গার বোধন — অর্থাৎ ঘুম থেকে জাগরণ — অনুষ্ঠিত হয়। পুরাণ অনুসারে দেবীর অকালবোধন করেছিলেন স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র, রাবণবধের আগে শরৎকালে। সেই থেকেই শরতের এই পূজা বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব হয়ে উঠেছে।
সন্ধ্যায় বোধনের সঙ্গে সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় আমন্ত্রণ ও অধিবাস। আমন্ত্রণে দেবীকে পরের ছয়দিনের জন্য মর্তে অবস্থানের আমন্ত্রণ জানানো হয়, আর অধিবাসে পূজার সামগ্রী ও প্রতিমাকে পবিত্র করা হয়। বেলগাছের ডালে দেবীর প্রতীকী উপস্থিতি কল্পনা করে বেলবরণও এই দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আচার।
মহাষষ্ঠী থেকেই কলকাতা ও জেলায় জেলায় প্যান্ডেল ঘোরার উৎসব শুরু হয়ে যায়। ঢাকের আওয়াজ, নতুন জামাকাপড় আর আলোকসজ্জায় শহর সেজে ওঠে উৎসবের রঙে।
দেবীর বোধন — দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক সূচনা। মহাষষ্ঠী দুর্গাপূজার প্রথম প্রকাশ্য দিন। আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে দেবী দুর্গার বোধন — অর্থাৎ ঘুম থেকে জাগরণ — অনুষ্ঠিত হয়। পুরাণ অনুসারে দেবীর অকালবোধন করেছিলেন স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র, রাবণবধের আগে শরৎকালে। সেই থেকেই শরতের এই পূজা বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব হয়ে উঠেছে।