নবপত্রিকা প্রবেশ — 'কলাবউ' স্নানের দিন
মহাসপ্তমীর সকালে অনুষ্ঠিত হয় নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপন — যা 'কলাবউ স্নান' নামে বেশি পরিচিত। ন'টি ভিন্ন উদ্ভিদ (কলাগাছ, কচু, হরিদ্রা, জয়ন্তী, বিল্ব, দাড়িম্ব, অশোক, মানকচু ও ধান) একত্রে বেঁধে একটি শাড়ি পরিয়ে দেবী দুর্গার প্রতীকী রূপ হিসেবে মণ্ডপে স্থাপন করা হয়।
নবপত্রিকা আসলে দেবী দুর্গার নয়টি রূপের প্রতীক এবং কৃষিভিত্তিক বাংলার প্রকৃতি-পূজার এক অনন্য নিদর্শন। একে গণেশের পাশে স্থাপন করার রীতির কারণেই লোকমুখে এটি 'কলাবউ' নামে পরিচিতি পেয়েছে, যদিও এটি প্রকৃতপক্ষে দেবীরই একটি রূপ।
সপ্তমী তিথি সাধারণত সারাদিন ও সারারাত (অহোরাত্র) স্থায়ী হয়, তাই এই দিনের বিহিত পুজো ও অঞ্জলি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার রীতি রয়েছে। রাতে অর্ধরাত্রি-বিহিত পুজোও অনুষ্ঠিত হয় কিছু মণ্ডপে।
নবপত্রিকা প্রবেশ — 'কলাবউ' স্নানের দিন। মহাসপ্তমীর সকালে অনুষ্ঠিত হয় নবপত্রিকা প্রবেশ ও স্থাপন — যা 'কলাবউ স্নান' নামে বেশি পরিচিত। ন'টি ভিন্ন উদ্ভিদ (কলাগাছ, কচু, হরিদ্রা, জয়ন্তী, বিল্ব, দাড়িম্ব, অশোক, মানকচু ও ধান) একত্রে বেঁধে একটি শাড়ি পরিয়ে দেবী দুর্গার প্রতীকী রূপ হিসেবে মণ্ডপে স্থাপন করা হয়।