২০২৬ সালে দুর্গা পূজা ১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার (মহাষষ্ঠী) থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার (বিজয়াদশমী) পর্যন্ত পালিত হবে।
বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব — মহিষাসুরমর্দিনী দেবী দুর্গার আরাধনা
দুর্গা পূজা বাংলার সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে ষষ্ঠী থেকে বিজয়াদশমী পর্যন্ত পাঁচদিন ধরে এই মহোৎসব পালিত হয়। দেবী দুর্গাকে মহিষাসুরমর্দিনী রূপে পূজা করা হয় — তিনি দশভুজা, সিংহবাহিনী এবং অশুভ শক্তির বিনাশকারী।
মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন থেকে শুরু হয় উৎসব। মহাসপ্তমী, মহাঅষ্টমী ও মহানবমীতে বিশেষ পূজা ও অঞ্জলি অনুষ্ঠিত হয়। অষ্টমীতে কুমারী পূজা ও সন্ধিপূজা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিজয়াদশমীতে সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় পূজা। এই দিনে বাঙালিরা একে অপরকে বিজয়া শুভেচ্ছা জানান।
২০২১ সালে UNESCO দুর্গা পূজাকে 'Intangible Cultural Heritage of Humanity' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কলকাতার পুজোর মণ্ডপ সজ্জা, আলোকসজ্জা ও শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ প্রশংসা পেয়েছে। প্রতি বছর কোটি কোটি বাঙালি এই উৎসবে অংশ নেন।
২০২৬ সালে দুর্গা পূজা ১৭ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার (মহাষষ্ঠী) থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬, বুধবার (বিজয়াদশমী) পর্যন্ত পালিত হবে।
২০২৭ সালে দুর্গা পূজা ৮ অক্টোবর ২০২৭, শুক্রবার (মহাষষ্ঠী) থেকে ১২ অক্টোবর ২০২৭, মঙ্গলবার (বিজয়াদশমী) পর্যন্ত পালিত হবে।
বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব — মহিষাসুরমর্দিনী দেবী দুর্গার আরাধনা। দুর্গা পূজা বাংলার সবচেয়ে বড় ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে ষষ্ঠী থেকে বিজয়াদশমী পর্যন্ত পাঁচদিন ধরে এই মহোৎসব পালিত হয়। দেবী দুর্গাকে মহিষাসুরমর্দিনী রূপে পূজা করা হয় — তিনি দশভুজা, সিংহবাহিনী এবং অশুভ শক্তির বিনাশকারী।