দোল পূর্ণিমা ২০২৭ সালের ২২ মার্চ ২০২৭, সোমবার তারিখে পালিত হবে।
ফাল্গুনী পূর্ণিমায় রঙের উৎসব ও রাধাকৃষ্ণের দোলনৃত্য
দোল পূর্ণিমা বা দোলযাত্রা ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয়। এই দিনে শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার দোলনৃত্যের স্মরণে উৎসব হয়। আবির ও রঙ দিয়ে একে অপরকে রাঙিয়ে আনন্দ করা হয়, তাই এটি রঙের উৎসব নামেও পরিচিত।
শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব বিশেষভাবে বিখ্যাত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে বসন্ত উৎসবের প্রচলন করেছিলেন। 'আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে' গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় উৎসব। ফুলের পাপড়ি ও আবির দিয়ে বর্ণময় এই উৎসব বাংলার বসন্ত উদযাপনের প্রধান অনুষ্ঠান।
বৃন্দাবনের হোলি ও বাংলার দোলের মধ্যে পার্থক্য হলো — বাংলায় প্রথম রঙ মাখানো হয় রাধাকৃষ্ণের বিগ্রহে, তারপর ভক্তরা নিজেদের মধ্যে আবির মাখেন। এই উৎসব বাংলার বসন্তকালীন সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
দোল পূর্ণিমা ২০২৭ সালের ২২ মার্চ ২০২৭, সোমবার তারিখে পালিত হবে।
দোল পূর্ণিমা ২০২৮ সালের ১১ মার্চ ২০২৮, শনিবার তারিখে পালিত হবে।
ফাল্গুনী পূর্ণিমায় রঙের উৎসব ও রাধাকৃষ্ণের দোলনৃত্য। দোল পূর্ণিমা বা দোলযাত্রা ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয়। এই দিনে শ্রীকৃষ্ণ ও রাধার দোলনৃত্যের স্মরণে উৎসব হয়। আবির ও রঙ দিয়ে একে অপরকে রাঙিয়ে আনন্দ করা হয়, তাই এটি রঙের উৎসব নামেও পরিচিত।